জনগণ বার্তা
সাধারণ মানুষের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। গত কয়েক সপ্তাহে শহরের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা থেকে মোটরসাইকেল চুরি, বাসাবাড়িতে ঢুকে স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ লুট, পথচারীদের মোবাইল ও ব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ার একাধিক ঘটনা ঘটেছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ছোটখাটো ঘটনা ঘটায় ভুক্তভোগীরা থানায় যেতে চান না।শহরের বিভিন্ন এলাকায় সম্প্রতি চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। সন্ধ্যা নামার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত শহরের অলিগলি, ফাঁকা সড়ক এমনকি ব্যস্ত এলাকাতেও সক্রিয় চোর-ছিনতাইকারী চক্র। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
কয়েকজন দোকানদার জানান, গভীর রাতে দোকানের শাটার কেটে মালামাল চুরির ঘটনা ঘটছে। এছাড়াও রাস্তায় ছিনতাইকারীদের উৎপাত বাড়ছে। রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি যাওয়ার সময়টাও বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। শহরের চাষাঢ়া, জামতলা, মাসদাইর বড় কবরস্থান, ডন চেম্বার, বালুর মাঠ, দেওভোগ এলাকায় ছিনতাইকারীদের উপদ্রব বেড়েছে। এর ফলে রাতে এ এলাকায় চলাচলকারী মানুষের মাঝে ভয় ও আতংক বিরাজ করছে। গত বছর ছুরিকাঘাতে দেওভোগ এলাকায় এক স্কুল ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। এঘটনার পরে স্থানীয়রা এসমস্ত এলাকায় পুলিশের টহল জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর দায় চাপিয়ে দিলে হবে না। এলাকাভিত্তিক কমিউনিটি নজরদারি, প্রতিবেশীদের পারস্পরিক যোগাযোগ এবং সন্দেহজনক চলাফেরার বিষয়ে দ্রুত তথ্য দেওয়া জরুরি। এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) তারেক আল মেহেদী বলেন, আমরা আমাদের অভিযান অব্যাহত রেখেছি। এসকল অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।