জনগণ বার্তা
ফতুল্লায় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তির দেড় ঘণ্টার ব্যবধানে প্রতিপক্ষের হামলায় মো. ইমন (৩৯) যুবক কে কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। ফতুল্লার মাসদাইরে ইমন হত্যাকান্ডের ঘটনায় নিহতের মা কমলা (৫৩) বাদী হয়ে গতকাল বুধবার বিকেলে ২০ জনের নাম উল্লেখ্য সহ অজ্ঞাত নামা আরো ৫/৬ জনকে আসামী করে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছে। এর আগে গত সোমবার রাতে ফতুল্লার মাসদাইর ফতুল্লার মাসদাইর গুদারাঘাট ওয়াজউদ্দিন মিস্ত্রিবাগের শেষ মাথায় সাদেক-বাবুল মিয়ার বাড়ীর মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে ইমন (৩৯) কে কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। মামলার আসামীরা হলো জাহিদ (৩১), ফেরদৌস (২৮), ভুট্টা মাসুদ (৩০), গিট্টু রিপন (৩৫), রনি (৩২), আদর (২৪), আপন (২২),জসীম (৩৫), সেলিম (৩৫), পারভেজ (৩২), চক্ষু হৃদয় (২৫), সাবু (৩০), হোটেল মাসুদ (৩৫),হৃদয় (২৯), ফাইটার মনির (৩০), শাওন (৩২), রবিন (২৮), গলা কাটা হৃদয় (২৯), রিয়াজ (২৬), নূরা (৪০)সহ অজ্ঞাত নামা ৫/৬ জন। নিহত ইমন মাসদাইর গুদারাঘাট এলাকার ওমর খৈয়ামের পুত্র। নিহত ইমনের বাবা ওমর খৈয়াম জানান, দীর্ঘ কারাভোগের পর সোমবার রাত সাড়ে সাতটার দিকে জামিনে কারাগার থেকে বেরিয়ে বাসায় আসে। বাসায় আসার কিছুক্ষণ পর ফেরদৌস মোবাইলে ফোন করে গুদারাঘাট ওয়াজউদ্দিন মিস্ত্রিবাগের শেষ মাথায় বাবুল মিয়ার বাসায় ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে গিয়ে ফেরদৌস তার পুত্র ইমনকে সন্ত্রাসী জাহিদ,চক্ষু হৃদয়,বিল্লালের পুত্র হৃদয় সহ অপর সন্ত্রাসীদের হাতে তুলে দেয়। পরে জাহিদ ও অপর সন্ত্রাসীরা তার ছেলেকে এলোপাতাড়ি ভাবে কোপায়। তার ছেলে তখন দৌড়ে পাশ্ববর্তী সাদেক মিয়ার বাড়ীতে গিয়ে আশ্রয়ের চেস্টা করলে সেখানে ও তাকে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। সংবাদ পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে রক্তাক্ত ইমন কে শহরের খানপুর হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা ইমনকে মৃত ঘোষনা করে। তিনি আরো জানান হত্যাকারীদের মধ্যে চক্ষু হৃদয় ও গত সোমবার কারাগার থেকে জামিনে বের হয়ে আসে। নিহত ইমন তার সাথে ইলেক্ট্রিকের কাজ করতেন।